শহীদদের স্বপ্ন ন্যায়বিচার ও সাম্যের সমাজ প্রতিষ্ঠায় সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে: মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিন
Published: 2024-08-23 21:17:38 BdST, Updated: 2025-04-04 05:38:01 BdST
নিজস্ব প্রতিবেদক: ছাত্র-জনতার যুগপৎ অন্দোলনের বিজয়কে টেকসই ও অর্থবহ করতে দলমত নির্বিশেষে জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠায় জামায়াতে ইসলামীর রুকনদেরকে কার্যকর ভূমিকা রাখার আহবান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমীর মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিন। শুক্রবার রাজধানীর মগবাজারস্থ আল ফালাহ মিলনায়তনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগরী উত্তরের হাতিঝিল অঞ্চল আয়োজিত এক রুকন সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি ।
জামাতের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য হেমায়েত হোসাইনের সভাপতিত্বে এবং ঢাকা মহানগরী উত্তরের প্রচার-মিডিয়া সম্পাদক মু. আতাউর রহমান সরকারের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সম্মেলনে দারসুল কুরআন পেশ করেন ড. মাওলানা হাবিবুর রহমান। উপস্থিত ছিলেন শেরে বাংলানগর দক্ষিণ থানা আমীর আমিনুল ইসলাম, হাতিরঝিল পূর্ব থানা আমীর এ্যাডভোকেট শেখ জিল্লুর রহমান আজমী,তেজগাঁও দক্ষিণ থানার আমীর ইঞ্জিনিয়ার নো’মান আহমেদী, হাতিরঝিল পশ্চিম আমীর ইউসুফ আলী মোল্লা, তেজগাঁও উত্তর থানা আমীর হাফেজ আহসান উল্লাহ ও শিল্পাঞ্চল থানা আমীর আলাউদ্দিন প্রমূখ।
সেলিম উদ্দিন বলেন, আওয়ামী-বাকশালীরা আমাদেরকে মানুষের মর্যাদা দেয়নি। আমাদের ওপর অঘোষিতভাবে দেখামাত্র গুলীর নির্দেশ আগে থেকেই ছিল। এমন কোন জুলুম-নির্যাতন নেই যা আমাদের ওপর চালানো হয়নি। কিন্তু তারা জামায়াতের অগ্রযাত্রা কোনভাবেই রোধ করতে পারেনি। শত শাহাদাত ও জুলুম-নির্যাতনের পথ ধরেই জামায়াত কাক্সিক্ষত গন্তব্যের দিকে সফল ভাবেই অগ্রসর হচ্ছে। আর আগামী দিনে মানবতার মুক্তির জন্য বিজয় আমাদের সুনিশ্চিত ইনশাআল্লাহ।
তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী ন্যায়-ইনসাফের ভিত্তিতে একটি মানবিক সমাজ কায়েম করতে চায়। আর একাজকে গতিশীল ও অগ্রগামী করার জন্য আত্মশুদ্ধি ও তাকওয়া অর্জনের মাধ্যমে গণমানুষের সেবায় আত্মনিয়োগ করতে হবে। এক্ষেত্রে দাওয়াতি কার্যক্রম সম্প্রসারণের কোন বিকল্প নেই। প্রতিটি ঘরে ঘরে দাওয়াত পৌঁছাতে পারলেই দ্বীন কায়েমের পথ প্রশস্ত হবে।
তিনি আরো বলেন, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র জনতার গণআন্দোলনে শহীদরা আমাদের জাতীয় সম্পদ ও গর্বিত সন্তান। তাই শহীদদের যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করতে হবে। শহীদ পরিবারের খোঁজ-খবর নিয়ে তাদের সমস্যা সমাধানে যথাযথ প্রচেষ্টা চালাতে হবে। আহতদের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের সুচিকিৎসাসহ সামাজিকভাবে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য অবদান রাখতে হবে। তাহলে দেশ ও জাতির যেকোন দুর্ভোগকালে নতুন প্রজন্ম সর্বোচ্চ ত্যাগ ও কুরবানীর জন্য উদ্বুদ্ধ হবেন।
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।