হ্যান্ড স্যানিটাইজারের পর কেরু এ্যান্ড কোং বাজারে নিয়ে আসছে সোনার দানা


Published: 2020-04-05 18:46:17 BdST, Updated: 2021-06-24 22:12:40 BdST



বিজনেস ওয়াচ প্রতিবেদক:
করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে স্বাস্থ্য-সুরক্ষায় হ্যান্ড স্যানিটাইজার উৎপাদনের পর কেরুজ জৈব সার 'সোনার দানা' বাজাওে নিয়ে আসছেকেরু এ্যান্ড কোম্পানী । স্বল্পমূল্যে কৃষকদের নিকট উন্নতমানের কেরুজ জৈব সার পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার প্রক্ষিতে এই রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে 'সোনার দানা' ব্যাপকহারে উৎপাদন ও বাণিজ্যিকীকরণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এর আগে, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে জীবাণুনাশক হ্যান্ড স্যানিটাইজারের চাহিদা ব্যাপক হারে বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে ২৩ মার্চ হতে প্রথমবারের মতো অ্যালকোহলভিত্তিক হ্যান্ড স্যানিটাইজার উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ কার্যক্রম গ্রহণ করে কেরু এন্ড কোম্পানী।
জৈব সার তৈরীর লক্ষ্যে বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশনের প্রতিষ্ঠান কেরু এ্যান্ড কোম্পানীতে ২০১২ সালে জৈব সার কারখানাটি স্থাপিত হয়। চিনি কারখানার আখ হতে বর্জ্য হিসেবে প্রাপ্ত ফিল্টার মাড, প্রেসমাড ও ডিষ্টিলারি ইফ্লুয়েন্ট স্পেন্টওয়াস হতে জৈব সার 'সোনার দানা' তৈরি করায় এ জৈবসার ভেজালমুক্ত ও উন্নত মানসম্পন্ন। বর্তমানে জৈব সার কারখানাটির বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা ৭ হাজার মেট্রিক টন। জৈব সার 'সোনার দানা' ১ কেজি ও ৫০ কেজির প্যাকেটে বাজারজাত করা হচ্ছে। দেশের সর্বত্র এ সার পৌঁছে দিতে ইতিমধ্যে ডিলার নিয়োগ করা হয়েছে।
জৈব সার 'সোনার দানা' ব্যবহারের ফলে কৃষি জমিতে ফসলভেদে রাসায়নিক সারের ব্যবহার ২৫-৩০% পর্যন্ত কম প্রয়োজন হয়। সেই সাথে ফসলের রোগবালাই কম হওয়ায় ক্ষতিকর কীটনাশকের ব্যবহার ও উল্লেখযোগ্য হারে কমে যাবে বলে কেরু এ্যান্ড কোম্পনীর সূত্রে জানা গেছে।
এ প্রসঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাহিদ আলী আনছারী বলেন, বর্তমানে বাজারেপ্রাপ্ত জৈব সারসমূহের অধিকাংশ নিম্মমানের ও ভেজাল হওয়ার কারনে কৃষকেরা ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। এতে তারা কৃষি জমিতে জৈবসার ব্যবহারে নিরুৎসাহিত হচ্ছেন এবং তাদের মধ্যে নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির সৃষ্টি হচ্ছে । তিনি বলেন, জৈব সার 'সোনার দানা' ব্যবহারের ফলে ফসলের কাণ্ড, পাতা ও ফল পরিপুষ্ট হয়। এ সার ফলের মিষ্টতা বৃদ্ধি করে, রং বাড়ায় এবং গুদাম জাত শস্য সংরক্ষনের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

 

 

 

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।