নিরাপদ খাদ্যে পিছিয়ে আছে বাংলাদেশ: কৃষিমন্ত্রী


Published: 2019-12-09 01:11:08 BdST, Updated: 2021-06-24 21:58:27 BdST


বিজনেস ওয়াচ প্রতিবেদক: বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূণর্তা অজর্ন করলেও পুষ্টি নিরাপত্তা ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণে এখনো অনেক পিছিয়ে আছে বাংলাদেশ। পুষ্টিকর খাবারের জোগোনের মাধ্যমে আমরা এটি অজর্ন করতে পারি। এ জন্য খাদ্যশস্য আর প্রাণিজ আমিষ উৎপাদনে আমাদের আরো মনোযোগী হতে হবে। তবেই আমরা স্বাস্থ্যবান জাতি হিসেবে বিশ্বে মাথা তুলে দাঁড়াতে পারব। খাদ্য, স্বাস্থ্য ও পুষ্টি এই তিনটি শব্দ একটি আরেকটির সঙ্গে অঙ্গাঅঙ্গীভাবে জড়িত। সুস্বাস্থ্য ও সুস্থ মনের জন্য প্রতিদিন পুষ্টিকর ও সুষম খাদ্যের প্রয়োজন। কৃষিমন্ত্রী ড. মোঃ আব্দুর রাজ্জাক আজ রবিবার(৮ ডিসেম্বর) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনের থ্রিডি হলে সার্ক চার্টার ডের ৩৫ বছর পুর্তি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন।
কৃষি গবেষণা কাউন্সিল এর নির্বাহী চেয়ারম্যান ড.কবীর ইকরামুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সার্ক কৃষি কেন্দ্রের পরিচালক ড. এস.এম বখতিয়ার । বিশেষ অতিথির বক্তব্য করেন কৃষি সচিব মোঃ নাসিরুজ্জামান ও পরারাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক নাহিদা রহমান সুমন। সভায় কি নোট উপস্থাপন করেন ইন্ডিয়ান কৃষি গবেষণা কাইন্সিলের (আইসিএআর) মহাপরিচালক ড. ত্রিলোচন মহাপাত্রা।
সার্ক কৃষি কেন্দ্রেও উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে কৃষিমন্ত্রী আরো বলেন, সঠিক ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ, প্রণোদনা প্রদান,উন্নত প্রযুক্তি, কৃষক ও সংশ্লিষ্টদের পরিশ্রমেই বাংলাদেশ আজ খাদ্যে শুধু স্বয়ংসম্পুর্ণ নয় বরং খাদ্য উদ্বৃত্ব দেশে পরিনত হয়েছে। সার্ক ভুক্ত দেশগুলো কৃষিতে ভালো করছে। বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন জনিত ঝুকিপুর্ণ দেশ, তথাপি জলবায়ু পরিবর্তনের উপযোগী ফসলের জাত উদ্ভাবনের মাধ্যমে খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি করে যাচ্ছে। কৃষির বিভিন্ন খাত ও উপখাতে আমাদের অর্জন ভালো। বাংলাদেশ নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্য নিশ্চিত করে আধুনিক ও বানিজ্যিক কৃষিতে রুপান্তরিত হচ্ছে। কৃষক দরদি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কৃষির উৎপাদন খরচ কমানোর উদ্দেশে পুনরায় সারের মুল্য হ্রাস করেছেন, দিচ্ছেন নানা রকমের কৃষি প্রণোদনা। কৃষিজাত পণ্য প্রক্রিয়াজাতকরে রপ্তানীর উদ্যোগ গ্রহণ করছে সরকার। কৃষি আধুনিকায়নে সহযোগীতা প্রয়োজন, কৃষি শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপনের অনুকূল পরিবেশ রয়েছে দেশে।
মন্ত্রী আরও বলেন, সামগ্রীক উন্নয়নের জন্য আঞ্চলিক সহযোগিতা,পারস্পরিক ও বহুপক্ষীয় সহযোগিতার বিকল্প হতে পারে না। অর্থনৈতিক এবং সামাজিক উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করার জন্য একটি কার্যকর পদক্ষেপ হলো আঞ্চলিক সহযোগি জোট গঠন করা। যথার্থ অর্থনৈতিক সহযোগিতার জন্য প্রয়োজন রাজনৈতিক সহযোগিতা ও সমঝোতা। এছাড়া জলবায়ু পরিবর্তন জনীত সমস্যা মোকাবেলায় আঞ্চলিক সহযোগীতা একান্ত প্রয়োজন।
অনুষ্ঠানে ড. ত্রিলোচন মহাপাত্রা বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দিয়েছেন স্বাধীন দেশ । বর্তমান প্রধান তার দূরদর্শি নেতৃত্বে বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেলে পরিনত হয়েছে।

 

 

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।